Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks

Click now

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Showing posts with label ফ্রিল্যান্সিং. Show all posts
Showing posts with label ফ্রিল্যান্সিং. Show all posts

Saturday, September 13, 2014

চাকরি করা ছাড়াও সুন্দর আয় করা, স্বাধীন জীবন এবং অন্যান্য


গ্র্যজুয়েশন শেষ করার পর আমাদের প্রথম পদক্ষেপ হয় একটি চাকরি খোজা। অনেকেই আবার গ্র্যাজুয়েশনের আগেই চাকরি খোজা শুরু করে। প্রয়োজনের তাগিদে তখন পড়া লেখা শেষ করার আগেই চাকরিতে প্রবেশ করে। এবং নাম মাত্র মূল্যে নিজের জীবনের অমূল্য সময় গুলো বিক্রি করতে থাকে।
পরিচিত অপরিচিত সবার কাছ থেকেই একটা প্রশ্ন কমন পাওয়া যায়। কি কর তুমি? যদি কোন ইনিস্টিটিউটে ভর্তি থাকি, বলা যায়, পড়ালেখা করি। যদিও পড়া লেখা করতে ইন্সটিটিউট এর প্রয়োজন হয় না।
যদি কোথাও না পড়ি, তখন যদি বলি কিছু করি না। তখন প্রশ্ন কর্তার অভিব্যাক্তি অবশ্যই ভালো দেখায় না। আর উত্তর যদি হয় জব করি, ঐ কম্পানিতে, তখন অবশ্যই অভিব্যাক্তি দারুণ দেখায়। কিন্তু চাকরি করা থেকে অনেক ভালো কিছু রয়েছে করার মত। চাকরি বলতে যদি বুঝায় টাকা উপার্যন করা।তবে সৎ ভাবে টাকা উপার্জন করার অনেক গুলো সুন্দর পথ রয়েছে।
চাকরি বলতে যতক্ষন কাজ করা, ততক্ষনই টাকা। কাজ বন্ধ তো টাকা ও বন্ধ। আর মাসের শেষে একটা এমাউন্ট। যা প্রথম সপ্তাহেই শেষ হয়ে যায়। মাসের বাকি দিন গুলো আবার এদিক ঐদিক করে চলতে হয়।
কেমন হয় যদি সারাক্ষনই টাকা উপার্জন হতে থাকে? কাজ করলেও, কাজ না করলেও? সারাক্ষন উপার্জন করা কি অসম্ভব কিছু? অবশ্যই না। অনেক গুলো সুন্দর পথ রয়েছে। ব্যবসা করা, ইনভেস্ট করা, ক্রিয়েটিভ কাজ করা যেমন ডিজাইনিং, ডেভেলপিং, লেখালেখি/ব্লগিং, ফটোগ্রাফি, সহ আরো অনেক। এগুলো থেকে রায়ালিটি ইনকাম আসতে থাকে। প্রথম প্রথম সময় দিতে হয়। এর পর আর তেমন সময় না দিলেও হয়। প্রথম প্রথম যে সময় দিতে হয়, তা একটি চাকরি খোজার সময় থেকেও কম। অনেক কম কষ্টের।
চাকরি করলে নিজের বেতন বাড়বে না। বছরে দুই এক বার সামান্য কিছু বাড়ানো হয়। কিন্তু নিজের কাজ নিজে করলে ইচ্ছে করলেই বেতন বাড়িয়ে নেওয়া যায়। শুধু মাত্র পরিশ্রম একটু বাড়িয়ে দিলেই হয়।
চাকরি খোজার জন্য অনেকেই অনেক ট্রেনিং নেয়, বা অনেক গুলো বই পড়ে। অথচ ঐ বই বা ট্রেনিং চাকরি করার জন্য না নিয়ে নিজের স্কিল বাড়ানোর জন্য নিলে দারুণ কিছু শেখা যেতো। যে গুলো কাজে লাগিয়ে আরো ভালো কিছু করা যায়।
চাকরি করলে মানুষের অভিজ্ঞতা একটা বিষয়ের উপর থাকে। সব্ কিছুই দিন দিন পরিবর্তন হচ্ছে। এক সময় নতুন বিষয় নিয়ে কাজ করতে হলে তখন নিজেকে আর মানিয়ে নিতে পারে না। এতে অনেকেরই হয়তো চাকরি ছেড়ে দিতে হয়।
সব সময়ই মনের মধ্যে একটা ভাব থাকে, সব কিছু ঠিক মত হচ্ছে তো? চাকরি চলে যাবে না তো। বস রাগ করবে না তো। ইত্যাদি। অথচ নিজের কোন কাজ হলে এসব চিন্তা করার কোন মানে হয় না।
আচ্ছা, চাকরি কি মানুষকে ভিতু বানাতে সাহায্য করে না? মাস শেষে অল্প কিছু টাকা হাতে পায়। অনেকের হয়তো ঐ অল্প টাকাতেই হয়ে যায়। আবার কারো কারো অনেকের দ্বায়িত্ব নেওয়ার কারণে ঐ অল্পতে হয় না। যারা সৎ থাকতে পারে, তারা হয় বাড়তি কাজ করার চেষ্টা করে। আর না হয় অনেকেই নিজের সততাকে বিকিয়ে দেয়। নষ্ট করে মানুষের স্বাধীনতা। সবচেয়ে অমুল্য জিনিশ।
এছাড়া চাকরি করলে নিজের ইচ্ছে মত কখনোই ছুটি কাটানো যায় না। অনেক সময় দরকারের সময়ও ছুটি পাওয়া যায় না। এসব ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সাররা ভালো একটা সুবিধে করতে পারে। যখন দরকার তখন ছুটি কাটানো যায়। কিন্তু ফ্রিল্যান্সারদের ও সারাক্ষন কাজ করতে হয়। এক সপ্তাহ কাজ না করলে পরের সপ্তাহ খরচ করার মত টাকা থাকে না, যদি না সে আগে সেভ করে রাখে। আর সব থেকে ভালো পন্থা হচ্ছে একটা প্যাসিভ ইনকামের পথ তৈরি করা। যেখানে কাজ না করলেও একটা ইনকাম আসবে। তবে তার জন্য অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে।
চাকরি করার প্রতি অবহেলা নয়। কিন্তু অনেকেই চাকরি পাওয়ার জন্য অনেক কিছু করে। চাকরি না পেয়ে হতাশ হয়ে যায়। এক অফিশ থেকে আরেক অফিশে সিভি জমা দিতে দিতে নিজের অমূল্য সময় নষ্ট করে। এমনি অসৎ পন্থাও অবল্বন করে। কিন্তু চাকরি করা থেকেও যে ভালো কিছু করা যায়, তা জানানোর জন্যই এ লেখা।
অনেক গুলো পন্থার কথা লিখছি, চাকরি করা ছাড়াও করা যায়, সেগুলো নিয়ে লেখা যাক। প্রথমেই লিখছিলাম ব্যবসা করার কথা। ব্যবসা করার অভিজ্ঞতা আমার নেই। ব্যবসা অবশ্যই চাকরি করা থেকে ভালো। নিজের ব্যবসা করার মত অভিজ্ঞতা না থাকলে যাদের পর্যাপ্ত জ্ঞান আছে, তাদের সাথে পার্টনার হয়ে ইনভেষ্ট করা যেতে পারে।
যদি ইনভেস্ট করার মত টাকা না থাকে? আরো অনেক গুলো পথ রয়েছে। অফলাইনে করার মত হয়তো অনেক গুলো পথ থাকতে পারে। আমার জানা না থাকার কারণে লিখছি না। অনলাইনে যে সব কাজ করা যেতে পারে, সেগুলো নিয়ে লিখছি। তার মধ্যে ডিজাইনিং অন্যতম।

ডিজাইনিং

ডিজাইনিং শিখে নিজের করা ডিজাইন গুলো অনলাইনে অনেক গুলো সাইটেই আপলোড করা যায়। যে গুলো পরে বিক্রি হলে নিজের একাউন্টে টাকা জমা হতে থাকে। প্রথম প্রথম হয়তো তেমন কোন টাকা আসবে না, কিন্তু এক সময় প্রতি মাসেই একটা ভালো রেভিনিউ আসতে থাকবে। যা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকবে। এরকম ডিজাইন সেল করার সাইটের মধ্যে http://graphicriver.net/ অন্যতম। এছাড়া এ লেখাটিও দেখা যেতে পারে। অনলাইনে ডিজাইন/গ্রাফিক্স সেল করার ৪০টি সাইট।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট জানা থাকলে ওয়েব সাইট তৈরি করা যেতে পারে। একটা নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ওয়েব সাইট তৈরি করে তা থেকে সহজেই আয় করা যায়। এডভার্টাইজ বা এফিলিয়েট এর মাধ্যমে। এখানেও প্রথম প্রথম কিছু দিন সময় দেওয়ার পর একটা নির্দিষ্ট সময় পর ভালো রেভিনিউ আসতে থাকে।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ভালো ভাবে জানা থাকলে ওয়েব সাইটের জন্য টেমপ্লেট তৈরি করা যেতে পারে। যে গুলো সেল করে একটা ভালো রয়ালিটি ইনকাম জেনারেট করা যেতে পারে। এ ওয়েব টেমপ্লেট সেল করার উল্যেখযোগ্য সাইট হচ্ছে http://themeforest.net/ এরকম আরো অনেক গুলো রয়েছে অনলাইনে। একটু সার্চ করলেই পাওয়া যাবে। যেমনঃ 10 Places to Sell Templates

ভিডিও তৈরি

নিজে কোন বিষয় দক্ষ হলে আরেক জনে কিভাবে তা শিখতে পারে, তার ভিডিও তৈরি করে সহজেই রেভিনিউ জেনারেট করা যায়।  ইউটিউব সুন্দর একটি জায়গা। এ ছাড়াও রয়েছে Coursera এর মত অনেক ওয়েব সাইট। যেখানে কোন বিষয়ের উপর টিউটোরিয়াল তৈরি করে সেল করা যায়। ভিডিও তৈরি করা এমন কোন কঠিন কাজ নয়।
এছাড়া কোন একটা জায়গার ভিডিও করে তা থেকেও আয় করা যায়। আপনার এলাকার কোন জায়গার উপর ভিডিও তৈরি করতে পারেন। সেখানে তো সবাই যেতে পারে না। কিন্তু অনেকেই যেতে চায় বা দেখতে চায়। আর তাই এমন ভিডিও তৈরি করে আপলোড করলেও ভালো কিছু করা যায়। সিম্পল, কিন্তু ভালো রেভিনিউ।

সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট

ডেভেলপমেন্ট জানলে সফটওয়ার তৈরি করা যেতে পারে। ভালো আইডিয়া থাকলে এবং ভালো সফটওয়ার তৈরি করতে পারলে একটা সফটওয়ার থেকেই যথেষ্ট রেভিনিউ আসতে থাকবে। সব সময় যে বড় কোন প্রজেক্ট করতে হবে তা না, সিম্পল কিন্তু ইফেক্টিভ কিছু দিয়েই ভালো কিছু করা সম্ভব। ক্রিয়েটিভ হলে ছোট খাটো কিন্তু কাজের সফটওয়ার তৈরি করা তেমন কঠিন কিছু না।

মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট

এছাড়া এখন মোবাইল মার্কেট গুলোতে রয়েছে ভালো ক্যারিয়ার। এন্ড্রয়েড, আইফোন বা উইন্ডোজ ফোনের জন্য অ্যাপ তৈরি করা যেতে পারে। যে সময় ধরে মানুষ চাকরি খুজবে, তার থেকে কম সময়ের মধ্যে এসব ডেভেলপমেন্ট স্কিল শেখা যায়। এক রাতেই মিলিনিয়ার হওয়ার মত অনেক গুলো সুন্দর সুন্দর গল্প রয়েছে মোবাইল অ্যাপ নিয়ে। রয়ালিটি ইনকামের জন্য অ্যাপ সেলিং অবশ্যই সুন্দর এবং ভালো একটা পন্থা।  সহজেই শেখা যায় এবং খুব দ্রুত রেভিনিউ জেনারেট করা যায়।

ফটোগ্রাফি

অনেকের কাছেই DSLR ক্যামেরা দেখা যায়। ক্যামেরা দিয়ে শুধু যে বিয়ে বা কোন জন্মদিনের পার্টির ফটোগ্রাফি করে আয় করা যায়, তা না। আরো অনেক সুন্দর সুন্দর পথ রয়েছে। নিজের ফটো ব্লগ খুলে তা থেকে আয় করা যায়। কোন একটা বিষয় খুজে তার উপর ফটোগ্রাফি করা যেতে পারে। অনলাইনে অনেক গুলো সাইট রয়েছে ফটো সেল করার। যে গুলো দেখা যেতে পারে। যেমনঃ Top 10 sites to sell your photos online

Affiliate Marketing

Affiliate Marketing করে ও ভালো একটা রেভিনিউ জেনারেট করা যায়। তবে তো জানতে হবে কিভাবে করতে হয়! জানাটাও সহজ। কোন ইনিস্টিটিউটের দরকার পড়ে না এখন আর। Google এ গিয়ে সার্চ করলেই অনেক গুলো টিউটোরিয়াল হাজির হবে। একটা থেকে দেখা বা পড়া শুরু করলেই আস্তে আস্তে শিখে নেওয়া যাবে। দরকার ধৈর্য্যের।

লেখালেখি

লেখা লেখি সব সময়ই রয়ালিটি ইনকাম করার সুন্দর একটা পন্থা। ইনটারনেটের কারণে এটা আরো সহজ এবং ইফেক্টিভ। ওয়েব সাইট খুলে নিজের পছন্দের বিষয় এর উপর লিখলে এবং ওয়েব সাইটে অ্যাড দিয়ে সুন্দর একটা রেভিনিউ জেনারেট করা যায়। ফুটবল, ক্রিকেট বা যেকোন খেলা, রান্না বান্না, বই এর রিভিউ, মুভি রিভিউ সহ যে কোন বিষয়ের উপর আর্টিকেল লেখা যায়। একই সাইটকে ব্যবহার করা যায় Affiliate Marketing এর জন্য।
এগুলো ছাড়াও আরো অনেক গুলো বিষয় রয়েছে যে গুলো নিয়ে কাজ করা যায়। রিসার্সে একটু সময় দিলেই বের করা সম্ভব। খুজে বের করতে হবে নিজে কোনটাতে ভালো। নিজের কাছে কি ভালো লাগে। এছাড়া উপরের বিষয় গুলোতে নিজে নিজে কিছু করতে না পারলে অনেক কাজ পাওয়া যায়। যাকে আমরা ফ্রিল্যান্সিং বলি আরকি! নিজে নিজে প্রথম প্রথম কিছু না করতে চাইলে ফ্রিল্যান্সিং করে নিজের জ্ঞান বাড়িয়ে নেওয়া যেতে পারে। এর পর নিজের কাজ নিজেই শুরু করলে সুন্দর একটা প্যাসিভ ইনকাম এর উৎস তৈরি হবে। তখন সব সময় কাজ করার চিন্তা না করলেও হবে। ২৪ ঘন্টাই নিজের একাউণ্টে টাকা জমা হতে থাকবে। নিজে কোথায় থাকি, তা কোন ব্যাপার নয়। উপভোগ করা যাবে সুন্দর জীবন, স্বাধীন জীবন। সত্যিকারের স্বাধীনতা।

অপ্রশিক্ষিত? ইন্টারনেট থেকে আয় করতে চান? তাদের জন্য আয়ের নতুন পথ


আজ আপনাদের মাঝে নিয়ে এলাম এমন একটি পেইডভার্টস।এখান থেকে আপনি অতি সহজেই আয় করতে পারবেন কোন টাকা খরচ না করে। সাইটটি পিটিসি এর ক্যাটাগরিতে পরলেও অন্য সব পিটিসি সাইট থেকে সম্পুর্ন আলাদা।
ফ্রি মেম্বার হিসেবেঃ ফ্রি মেম্বার হিসেবে  অন্য পিটিসি সাইট থেকে ১$ আয় করতে আপনার ২০-৩০ দিন সময় লাগবে আর এই সাইটে আপনি প্রায় চার থেকে পাঁচ দিনেই ১$ আয় করতে পারবেন। সবচেয়ে ব্যতিক্রম ব্যাপার হচ্ছে এই সাইট আপনাকে ০.০০১-০৫$ মুল্যের এড দিবে।
ইনভেস্ট হিসেবেঃ যারা একটু ইনভেস্ট করে মেম্বার হয়ে আয় করতে চান, তাদের জন্য রয়েছে আনলিমিটেড আয়ের সুযোগ।এখানে আপনি ইচ্ছা করলে ১$ থেকে শুরু করে যত খুশি তত ইনভেস্ট করে আয় করতে পারেন ( ইনভেস্ট বলতে এই টাকা দিয়ে আপনি আপনার সাইট বা পণ্যের জন্য এড কিনবেন )। যেমনঃ আপনি যদি ১$ ইনভেস্ট করেন তাহলে সাথে সাথে ১.৫৫$ এর এড পাবেন, তার মানে ১$ ইনভেস্ট এ সাথে সাথে ০.৫৫$লাভ যত বেশি ইনভেস্ট তত বেশি আয় ( ইনভেস্ট না করলেও আয় করতে পারবেন,ইনভেস্ট করা আপনার ইচ্ছা)।

এখানে দেখুন ……
পেমেন্ট সিস্টেমঃ এটি my traffic-value এর একটি শাখা আর my traffic-value ৩ বছর যাবত অনলাইনে পে করে আসছে একমাত্র এই সাইটের রয়েছে সর্বোচ্চ পেমেন্ট সিস্টেম।যেমনঃ paypal,payza,egopay,STP,western union money transfer and Bankwire (অন্য কোন সাইট এতগুলো পেমেন্ট প্রসেসর সাপোর্ট করে না)। ১০০% পিওর ও ট্রাস্টেড এবং সকলকে পে করে থাকে।
সম্পুর্ন ফ্রিতে জয়েন করতে ক্লিক করুন http://www.paidverts.com/register.html

ফ্রি মেম্বার হিসেবে কিভাবে কাজ করবেনঃ এখানে কাজ একটু ভিন্ন ধরনের তবে সহজ। আসুন এবার দেখে নেয়া যাক Paidverts এ কাজ করার পদ্ধতি।
• প্রথমে আপনার account এ লগিন করুন।
• একটু নিচে নামলে দেখতে পারবেন Welcome to paidverts লেখা আছে, তার নিচের বক্সেView paid add নামের একটা অপশন আছে তাতে ক্লিক করুন (এর আগে View Activation Add এই টা তে ক্লিক করে add টা দেখে account activate করে নিতে হবে)।
নীচের চিত্র দেখুন… 
• এখানে দুই ধরনের add পাবেন, Paid add আর BAP( Bonus Add Point), আপনাকে এই দুই ধরনের add দেখতে হবে।
• এখন যেকোন add এ ক্লিক করলে আপনাকে ৩ টা লাইন এর লেখা লেখতে হবে যার মধ্যে প্রথম ২ টা [ 1st and 2 nd Image  e ja lekha ache tai কপি পেস্ট করে দেয়া যাবে ] আর শেষের টা Captcha লিখে দিতে হবে।
1. Paid add : এই add গুলো থেকে আপনার account এ balance add হবে মানে আপনি ইনকাম করতে পারবেন।
2. BAP : এই add গুলো থেকে আপনার point জমা হবে, আপনার bonus point যত বেশী হবে Paid add এ তত বেশী দামের add পাবেন। তার মানে শুরুতে আপনি ১-২ সেন্ট এর Paid add পাবেন, কিন্তু আপনার bonus point বাড়ার সাথে সাথে আপনি ১-৫০ ডলার মুল্যের add পাবেন তাই নিয়মিত এই BAP গুলো দেখতে হবে ( ১$ ইনভেস্ত করলে ৩১০০ BAP আপনার একাউন্টে যোগ হবে )।
চিত্র দেখুন… 
• এরপর Check Captcha তে ক্লিক করবেন, Captcha সঠিকভাবে দিলে নিচে Proceed to advisers website এই লেখাটা সবুজ হয়ে যাবে।
• তারপর Proceed to advisers website এ ক্লিক করবেন।
• এরপর নতুন একটি Tab/window ওপেন হবে, সেখানে ৩০ সেকেন্ড অপেক্ষা করেConfirm এ ক্লিক করে Close window তে ক্লিক করলে window টা কেটে যাবে।
• এবার আগের পেজে যেখানে ৩ টা লাইন লিখেছিলেন সেখানে দেখবেন লেখা আছে View another add , এখানে ক্লিক করে বাকি add গুলো একই নিয়মে দেখবেন।
চিত্র দেখুন…
মনে রাখবেন BAP(Bonus add point) যত বেশী হবে paid add er value তত বাড়বে
আশা করি বুঝতে পেরেছেন এর পরেও সমস্যা থাকলে মন্তব্য করে জানাবেন।
নতুন যারা কোন কাজ না জেনে, ইন্টারনেট এ কাজ খুছেন তারা আর দেরি না করে এখনিPaidverts এ জয়েন করেন। নয়তো বা কোন কাজ শিখেন ইন্টারনেট থেকে আয় করার জন্য। এখানে ক্লিক করে জয়েন করুন।

Wednesday, June 25, 2014

Probux থেকে মাসে ১২০ ডলার বা ৯০০০ টাকা আয়ের সহজ উপায়

PTC সাইটের কথা শুনলে আমরা অনেকে কাজ করতে চাইনা ।কিন্তু আপনি একটু চেষ্টা করলে প্রতিদিন ৫ ডলার আয় করতে পারেন ।আমরা অনেকে জানি Probux,neobux, scarlet এগুলো কোনো স্কাম সাইট নয় ।তো আজকে আমি আপনাদের কে দেখাবো প্রতিদিন ২০ মিনিট কাজ করে Probux থেকে কিভাবে ৫-১০ ডলার আয় করতে হয় ।তাহলে শুরু করা যাক -
প্রথমে এখানে ক্লিক করে রেজিঃ করে নিন ।এরপর Email confirm করতে বললে কনফার্ম করে নিন ।তারপর লগ ইন করুন ।
এরপর Veiw ads এ ক্লিক করুন ।তারপর যেকোনো একটি এডে ক্লিক করে এটি লোড হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন ।এরপর এ লেখাটি Advertisement validated!
You’ve just been credited দেখালে বুঝবেন আপনার একাউন্টে টাকা জমা হয়েছে ।এভাবে প্রতিটি এডে ক্লিক করলে আয় হবে ০.০৬ ডলার ।তবে শেষের দিকে যে চারটি এড সেগুলো অবশ্যই দেখবেন ।এগুলো না দেখলে আপনি রেফারেল থেকে কোনো আয় পাবেন না ।
এভাবে প্রতিদিন কাজ করে যান ।দশদিন পর আপনার একাউন্টে যখন ০.৬০ ডলার জমা হবে তখন ৩ জন রেন্ট রেফারেল কিনুন ।এ ৩ জন রেফারেল যদি প্রতিদিন চারটি করে এডে ক্লিক করে তাহলে আপনার আয় হবে ৩*৪*০.০০৫=০.০৬+আপনার আয় । এভাবে যত রেফারেল কিনবেন তত আয় বেশী হবে ।যদি ৫০ জন রেন্ট রেফারেল হয় মাসে আয় হবে ৫০*৪*০.০০৫=১*৩০=৩০ ডলার ।
এভাবে আয় করে যান যতদিন না ৭০ ডলার হয় ।৭০ ডলার দিয়ে আপনার একাউন্ট আপগ্রেড করে নিন ।অর্থাং Golden member হয়ে যান তাহলে আপনার আয় আগের থেকে দ্বিগুন হবে ।আপনার রেন্ট রেফারেলের প্রতি ক্লিক থেকে আয় হবে ০.০১ ডলার ।আপনার যদি ১০০ জন রেন্ট রেফারেল থাকে তাহলে আপনার আয় হবে ১০০*০.০১*৪=৪*৩০=১২০ ডলার ।অর্থাং প্রতিদিন ৪ ডলার ।
এভাবে আপনি যদি ধৈর্য্য ধরে নিয়মিত কাজ করেন তাহলে সফল হতে পারবেন ।
টাকা উঠাতে পারবেন Payza এর মাধ্যমে ।
Powered by Blogger.

Contact Us

Name

Email *

Message *

Search This Blog